তোফােয়েল আহমেদ, নিজস্ব প্রতিনিধি: সাবেক সংসদ সদস্য এবং বিএনপির বাণিজ্যবিষয়ক সম্পাদক সালাহউদ্দিন আহমেদের জানাজা নামাজে অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
আজ বুধবার (১৪ অক্টোবর) জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত জানাজায় তিনি যোগ দেন।
এর আগে মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) রাতে এক শোকবার্তায় প্রধানমন্ত্রী মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, সালাহউদ্দিন আহমেদ বিএনপির আন্দোলন-সংগ্রামের একজন লড়াকু সৈনিক ও অকুতোভয় নেতা ছিলেন। দলের দুঃসময়ে তিনি সাহস, নিষ্ঠা ও দৃঢ়তার সঙ্গে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে ভূমিকা রেখেছেন। তার রাজনৈতিক জীবন ও দলীয় কর্মকাণ্ড বিএনপির নেতাকর্মীদের কাছে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
দেশ ও দলের প্রতি সালাহউদ্দিনের অবদান বিএনপি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপির এই ত্যাগী নেতার মৃত্যুতে দল একজন নিবেদিতপ্রাণ নেতাকে হারাল, যা দলের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি।’
প্রধানমন্ত্রী মরহুমের শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্য, আত্মীয়স্বজন ও শুভানুধ্যায়ীদের এ অপূরণীয় ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার শক্তি ও ধৈর্য ধারণের জন্য মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেন।
মঙ্গলবার রাত ৮টা ১০ মিনিটে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন বিএনপির এই কেন্দ্রীয় নেতা।
রাজধানীর শ্যামপুর-কদমতলী এলাকার প্রভাবশালী এ নেতা ঢাকা-৪ আসন থেকে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে ১৯৯১ সালে ৫ম, ১৯৯৬ সালে ফ্রেব্রুয়ারিতে ৬ষ্ঠ এবং ২০০১ সালে ৮ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। পাশাপাশি তিনি বিএনপির বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন।
আজ বুধবার (১৪ অক্টোবর) জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত জানাজায় তিনি যোগ দেন।
এর আগে মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) রাতে এক শোকবার্তায় প্রধানমন্ত্রী মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, সালাহউদ্দিন আহমেদ বিএনপির আন্দোলন-সংগ্রামের একজন লড়াকু সৈনিক ও অকুতোভয় নেতা ছিলেন। দলের দুঃসময়ে তিনি সাহস, নিষ্ঠা ও দৃঢ়তার সঙ্গে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে ভূমিকা রেখেছেন। তার রাজনৈতিক জীবন ও দলীয় কর্মকাণ্ড বিএনপির নেতাকর্মীদের কাছে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
দেশ ও দলের প্রতি সালাহউদ্দিনের অবদান বিএনপি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপির এই ত্যাগী নেতার মৃত্যুতে দল একজন নিবেদিতপ্রাণ নেতাকে হারাল, যা দলের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি।’
প্রধানমন্ত্রী মরহুমের শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্য, আত্মীয়স্বজন ও শুভানুধ্যায়ীদের এ অপূরণীয় ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার শক্তি ও ধৈর্য ধারণের জন্য মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেন।
মঙ্গলবার রাত ৮টা ১০ মিনিটে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন বিএনপির এই কেন্দ্রীয় নেতা।
রাজধানীর শ্যামপুর-কদমতলী এলাকার প্রভাবশালী এ নেতা ঢাকা-৪ আসন থেকে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে ১৯৯১ সালে ৫ম, ১৯৯৬ সালে ফ্রেব্রুয়ারিতে ৬ষ্ঠ এবং ২০০১ সালে ৮ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। পাশাপাশি তিনি বিএনপির বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন।