নিজস্ব প্রতিনিধি, বাংলা রিলিজ : দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে এক হাজার ৩৫৬ শিশু।
আজ সোমবার (৫ অক্টোবর) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট এক হাজার ২৬ শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ১০২ শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট এক হাজার ১২৮ শিশু মারা গেছে।
এছাড়া ২৪ ঘণ্টায় ৬০ শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা এক হাজার ২৯৬। এই সময়ে এক হাজার ১৭৯ শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে এক হাজার ২৩৪ শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা এক লাখ ৯৭ হাজার ৭২২, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ২১ হাজার ৮০৮। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট এক লাখ ৭৫ হাজার ৩৩৬ রোগী, যাদের মধ্যে এক লাখ ৬৮ হাজার ১৪২ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
আজ সোমবার (৫ অক্টোবর) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট এক হাজার ২৬ শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ১০২ শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট এক হাজার ১২৮ শিশু মারা গেছে।
এছাড়া ২৪ ঘণ্টায় ৬০ শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা এক হাজার ২৯৬। এই সময়ে এক হাজার ১৭৯ শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে এক হাজার ২৩৪ শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা এক লাখ ৯৭ হাজার ৭২২, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ২১ হাজার ৮০৮। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট এক লাখ ৭৫ হাজার ৩৩৬ রোগী, যাদের মধ্যে এক লাখ ৬৮ হাজার ১৪২ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।