বাংলা রিলিজ, আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ইরাকে দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় অবস্থানের পর দেশটি থেকে নিজেদের সামরিক বাহিনী পুরোপুরি প্রত্যাহার করে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) মধ্যপ্রাচ্যের দেশটি ছেড়ে গেছেন সেখানে অবস্থানরত শেষ মার্কিন সেনারা। এর মধ্য দিয়ে ইরাকে নতুন এক যুগের সূচনা হলো বলে জানিয়েছে বাগদাদ সরকার।
ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলী আল-জাইদি বলেছেন, এর মধ্য দিয়ে ইরাকের জন্য নতুন একটি দিনের সূচনা হলো। দেশটি বিদেশি সব ধরনের সামরিক উপস্থিতি থেকে মুক্ত হলো এবং পুরো ভূখণ্ডের ওপর জাতীয় সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠিত হলো।
মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের শেষ সময়সীমা নির্ধারিত ছিল আজ বুধবার (৩০ সেপ্টম্বর) পর্যন্ত। কিন্তু তার একদিন আগেই পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে হওয়া সমঝোতা চুক্তি অনুযায়ী এই সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলো।
২০০৩ সালে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেনকে ক্ষমতাচ্যুত করতে ইরাকে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। ২০০৭ সালে দেশটিতে মার্কিন সেনার সংখ্যা ১ লাখ ৭০ হাজার ছাড়িয়ে গিয়েছিল। পরবর্তীতে ২০১১ সালে এক দফায় সেনা কমানো হলেও ২০১৪ সালে ইসলামিক স্টেট (আইএস) বিরোধী অভিযানের জন্য পুনরায় সেনা পাঠানো হয়।
এদিকে দীর্ঘদিনের মার্কিন উপস্থিতি শেষ হলেও সেনা প্রত্যাহার-পরবর্তী নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অনেক সাধারণ ইরাকি ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক। তাঁদের মতে, মার্কিন বলয় সরে যাওয়ায় তৈরি হওয়া শূন্যতার সুযোগ নিয়ে অঞ্চলে প্রভাব বাড়াতে পারে ইরান সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো।
ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলী আল-জাইদি বলেছেন, এর মধ্য দিয়ে ইরাকের জন্য নতুন একটি দিনের সূচনা হলো। দেশটি বিদেশি সব ধরনের সামরিক উপস্থিতি থেকে মুক্ত হলো এবং পুরো ভূখণ্ডের ওপর জাতীয় সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠিত হলো।
মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের শেষ সময়সীমা নির্ধারিত ছিল আজ বুধবার (৩০ সেপ্টম্বর) পর্যন্ত। কিন্তু তার একদিন আগেই পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে হওয়া সমঝোতা চুক্তি অনুযায়ী এই সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলো।
২০০৩ সালে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেনকে ক্ষমতাচ্যুত করতে ইরাকে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। ২০০৭ সালে দেশটিতে মার্কিন সেনার সংখ্যা ১ লাখ ৭০ হাজার ছাড়িয়ে গিয়েছিল। পরবর্তীতে ২০১১ সালে এক দফায় সেনা কমানো হলেও ২০১৪ সালে ইসলামিক স্টেট (আইএস) বিরোধী অভিযানের জন্য পুনরায় সেনা পাঠানো হয়।
এদিকে দীর্ঘদিনের মার্কিন উপস্থিতি শেষ হলেও সেনা প্রত্যাহার-পরবর্তী নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অনেক সাধারণ ইরাকি ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক। তাঁদের মতে, মার্কিন বলয় সরে যাওয়ায় তৈরি হওয়া শূন্যতার সুযোগ নিয়ে অঞ্চলে প্রভাব বাড়াতে পারে ইরান সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো।