বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে সীমান্ত সম্মেলন শুরু!
আপলোড সময় :
০৮-০৬-২০২৬ ০৫:১০:১৩ অপরাহ্ন
আপডেট সময় :
০৮-০৬-২০২৬ ০৫:১০:১৩ অপরাহ্ন
ফাইল ছবি
আহমদ আনছারী, নিজস্ব প্রতিনিধি: বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এবং ভারতের বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (বিএসএফ) এর মধ্যে মহাপরিচালক পর্যায়ের ৫৭তম সীমান্ত সম্মেলন শুরু হয়েছে। আজ সোমবার (৮ জুন) সকালে ভারতের নয়াদিল্লির বিএসএফ সদর দপ্তরে চার দিনব্যাপী এ সম্মেলন শুরু হয়।
বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকীর নেতৃত্বে ১৫ সদস্যের বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল সম্মেলনে অংশ নেয়। অন্যদিকে, বিএসএফ মহাপরিচালক প্রবীন কুমারের নেতৃত্বে ১২ সদস্যের ভারতীয় প্রতিনিধি দল সম্মেলনে অংশগ্রহণ করে। আগামী ১১ জুন পর্যন্ত চলবে এ সম্মেলন।
এবারের সম্মেলনে বিএসএফ, ভারতীয় নাগরিক, দুষ্কৃতকারীদের হাতে নিরস্ত্র বাংলাদেশি নাগরিকদের হত্যা, আহত ও নির্যাতন বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ, বিএসএফ কর্তৃক জোরপূর্বক ভারতীয় নাগরিক ও বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিকদের (FDMNs) বাংলাদেশে পুশইন বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ, অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধে আলোচনা হবে।
এ ছাড়াও ভারত থেকে বাংলাদেশে বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য, অস্ত্র ও অন্যান্য নিষিদ্ধ পণ্যের চোরাচালান রোধ, মানবপাচার প্রতিরোধ, সীমান্ত আইন লঙ্ঘন, আন্তর্জাতিক সীমান্তের ১৫০ গজের মধ্যে কাঁটাতারের বেড়াসহ অন্যান্য অননুমোদিত অবকাঠামো নির্মাণ বন্ধ এবং চলমান বিভিন্ন উন্নয়ন ও নির্মাণ কাজের নিষ্পত্তি, তিনবিঘা করিডোর দিয়ে ‘Connected Bangladesh’ প্রকল্পের আওতায় পাটগ্রাম হতে দহগ্রাম পর্যন্ত অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল স্থাপন, আগরতলা হতে আখাউড়াগামী ৪টি খালের বর্জ্য পানি নিষ্কাশনের জন্য Effluent Treatment Plant (ETP) স্থাপন নিয়েও আলোচনা হবে।
মুহুরীর চর এলাকায় স্থায়ী সীমান্ত পিলার নির্মাণ, কুশিয়ারা নদীতে রেফারেন্স পিলার নির্মাণ, আন্তঃসীমান্ত নদীগুলোর তীর সংরক্ষণ কার্যক্রম ও পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়, ভারতের অভ্যন্তরে আঞ্চলিক বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সম্ভাব্য অবস্থান ও তাদের কর্মকাণ্ড সম্পর্কিত তথ্য আদান-প্রদান, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা ও সীমান্ত সম্পর্কিত সমস্যা সমাধানের জন্য ' সমন্বিত ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা (Coordinated Border Management Plan-CBMP) কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন, বিএসএফ বা ভারতীয় নাগরিক কর্তৃক আকাশসীমা লঙ্ঘন করে অবৈধ ড্রোন/হেলিকপ্টার উড্ডয়ন বন্ধ, পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন গোয়েন্দা সংক্রান্ত তাৎক্ষণিক তথ্য আদান-প্রদান, ভারতীয় গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বাংলাদেশ ও সীমান্তবর্তী অঞ্চল সম্পর্কে নেতিবাচক অপপ্রচার বন্ধ, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়ন এবং পারস্পরিক আস্থা ও সৌহার্দ্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন ফলপ্রসূ উদ্যোগ গ্রহণ ইত্যাদি বিষয়ে আলোচনা হবে।
নিউজটি আপডেট করেছেন : Bangla Release 24
কমেন্ট বক্স