ইরানকে অর্থনৈতিকভাবে বিচ্ছিন্ন করতে যুক্তরাষ্ট্রের সাফল্যের দাবি স্কট বেসেন্টের
আপলোড সময় :
২৭-০৯-২০২৬ ১১:৩৭:৫৮ পূর্বাহ্ন
আপডেট সময় :
২৭-০৯-২০২৬ ১১:৩৭:৫৮ পূর্বাহ্ন
ফাইল ছবি
বাংলা রিলিজ, আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ইরানকে অর্থনৈতিকভাবে বিচ্ছিন্ন করতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ওপর চাপ প্রয়োগে যুক্তরাষ্ট্রের নেওয়া উদ্যোগে সাফল্য এসেছে বলে দাবি করেছেন দেশটির অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট। তিনি জানান, ইরানের বিমান সংস্থা ও ব্যাংকগুলোর ওপর নতুন করে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বেসেন্ট জানান, ‘আমার নির্দেশে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দল পাঠানো হয়েছে। এসব দল সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে ইরানি সরকারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে। এসব প্রচেষ্টা এখন ফল দিতে শুরু করেছে।’
বেসেন্ট জানান, তুরস্ক ও ওমান ইরানের বেসরকারি বিমান সংস্থা মাহান এয়ারের ফ্লাইট গ্রহণ বন্ধ করেছে। অন্যদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ইরানের সব বিমান সংস্থার ফ্লাইট বন্ধ করে দিয়েছে।
ইরানি বিমান সংস্থাগুলোর জন্য ইউএই’র বাণিজ্যিক রাজধানী দুবাই একটি গুরুত্বপূর্ণ গন্তব্য। ইরানের সঙ্গে দুবাইয়ের ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়িক সম্পর্ক রয়েছে এবং সেখানে বড় একটি ইরানি জনগোষ্ঠী বসবাস করে। ফলে ইরানি বিমান সংস্থাগুলোর একাধিক ফ্লাইট প্রতিদিন দুবাইয়ে যাতায়াত করত। বেসেন্ট ইরানের ব্যাংকিং খাতের ওপর নেওয়া নতুন বিধিনিষেধের কথাও উল্লেখ করেন।
গত বুধবার ইউএইর কেন্দ্রীয় ব্যাংক ইরানের ব্যাংক মেল্লির শাখাগুলোর সঙ্গে ইরানের লেনদেন বন্ধ করে দেয়।
ইউএই কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, ব্যাংকটি অর্থপাচার, সন্ত্রাসবাদ এবং অস্ত্র বিস্তারসংক্রান্ত আইন লঙ্ঘন করেছে।
এর আগে গত সপ্তাহে তুরস্ক ইরানের ব্যাংক মেল্লাতের লাইসেন্স বাতিল করে। ব্যাংকটি একটি আধা-বেসরকারি আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং বহু বছর ধরে পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছে।
বেসেন্টের শেয়ার করা ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল-এর একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন ট্রেজারি বিভাগের সন্ত্রাসে অর্থায়নবিষয়ক সহকারী সচিব (মন্ত্রী) জোনাথন বার্ক দুই সপ্তাহ ধরে মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশ সফর করেন। ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন অর্থনৈতিক চাপের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে দেশগুলোর সমর্থন আদায় করাই ছিল তার সফরের অন্যতম লক্ষ্য।
ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ইরানের ওপর নতুন অর্থনৈতিক চাপ তৈরির উদ্যোগ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগ ৫০টিরও বেশি দেশের সঙ্গে আলোচনা করেছে। গত সোমবার বেসেন্ট বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পরিচালিত সব ইরানি বিমান সংস্থা বন্ধ করে দেওয়া হবে।
তবে ইরানের কয়েকটি ছোট বিমান সংস্থা এখনও আন্তর্জাতিক রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করছে। বিশেষ করে চীনের সঙ্গে তাদের বিমান যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের চাপের কাছে চীন নতি স্বীকার করছে না।
নিউজটি আপডেট করেছেন : Bangla Release 24
কমেন্ট বক্স